তীব্র গরমে তৃষ্ণা পেলে আমরা সাতপাঁচ ভেবেই ঠান্ডা পানি পান করি। রোজার সময়ে ইফতারে বরফ মিশ্রিত লাচ্ছি, শরবত কিংবা জুস তো থাকেই। এতে তৃষ্ণা তো মেটে, কিন্তু আপনার শরীরের কি উপকার করে? নাকি ক্ষতি ডেকে আনে?
- শাকিরা ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত স্কুল পুনঃনির্মাণে ১.২৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তা করবে
- * * * *
- ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের রেকর্ড পরিমাণ ঋণে ডুবছে যুক্তরাষ্ট্র
- * * * *
- ইন্দোনেশিয়ায় ফের ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প, বাড়ছে আতঙ্ক
- * * * *
- দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে জনগণের নাভিশ্বাস উঠে গেছে: এমপি বুলবুল
- * * * *
- সার্টিফিকেট হারানোর বিজ্ঞপ্তি
- * * * *
ঠান্ডা পানি
গর্ভাবস্থায় ঠান্ডা পানি পান করা নিয়ে অনেকের মধ্যেই নানা ধরনের ধারণা রয়েছে। কেউ মনে করেন, ঠান্ডা পানি গর্ভের শিশুর জন্য ক্ষতিকর, আবার কেউ বিশ্বাস করেন এটি শিশুর নড়াচড়া বাড়িয়ে দেয়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ধারণার পক্ষে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
সরাসরি ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা পানি পান করার ক্ষেত্রে আমাদের বেশিরভাগ সময়েই সতর্ক করা হয়। কারণ হিসেবে বলা হয়, ঠান্ডা পানি পান করা হার্টের জন্য ক্ষতিকর।
প্রচণ্ড গরমে বাইরে থেকে ঘরে ফিরেই অনেকের প্রথম কাজ হলো ফ্রিজ খুলে এক গ্লাস বরফ-শীতল পানি পান করা। মুহূর্তের মধ্যে শরীর যেন কিছুটা স্বস্তি পায়, ক্লান্তি কমে আসে এবং তৃষ্ণাও মিটে যায়।
চলছে শীতের মৌসুম। এমন পরিস্থিতি শীতজনিত রোগ যেমন সর্দি, কাশি, গলাব্যাথা, হাঁপানি, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, অ্যালার্জি প্রভৃতি রোগের প্রকোপও বেড়েছে। এমন অবস্থায় অনেকেই ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করেন।
অনেকেই ঠান্ডা পানি পান করতে পছন্দ করেন, বিশেষ করে খাবারের পরে বা গরমের দিনে।
প্রচণ্ড গরমে বাইরে থেকে ঘামে ভেজা শরীরে বাড়ি ফিরে একগ্লাস ঠান্ডা পানি যেন স্বর্গসুখের মতো। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে— ঠান্ডা পানি খাওয়া কি সত্যিই শরীর ঠান্ডা রাখে? নাকি এতে লুকিয়ে আছে কিছু ক্ষতির আশঙ্কা?
কড়া রোদ থেকে ফিরেই ফ্রিজের ঠান্ডা পানি খেয়ে ফেলার অভ্যাস অনেকেরই আছে।
চলছে রমজান মাস। এ সময় পানির পিপাসায় অনেকেই অস্থির হয়ে পড়ছেন। তার উপর আবার গরম। ঘরের বাইরে পা দিলেই ঘেমে-নেয়ে একাকার অবস্থা।
শীতে ঠান্ডা পানি দেখলেই ভয় পান অনেকেই!